বেতনের আয়কর কীভাবে হিসাব হয়
- বেতনের করমুক্ত অংশ: মোট বেতনের এক-তৃতীয়াংশ অথবা ৳৫,০০,০০০, যেটি কম, তা বাদ যায়।
- করহার (২০২৬-২৭): প্রথম ৳৩,৭৫,০০০ পর্যন্ত ০%, পরের ৳৩,০০,০০০ এ ১০%, পরের ৳৪,০০,০০০ এ ১৫%, পরের ৳৫,০০,০০০ এ ২০%, পরের ৳২০,০০,০০০ এ ২৫% এবং বাকি আয়ে ৩০%। ৫% এর স্তরটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
- বিনিয়োগ রেয়াত: সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, জীবনবিমা ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করলে কর কমে।
- ন্যূনতম কর: করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে এলাকাভেদে অন্তত ৳৩,০০০–৫,০০০ কর দিতে হয়।
| মাসিক বেতন | বার্ষিক আয়কর | মাসিক নিট বেতন |
|---|---|---|
| ৳৩০,০০০ | ৳০ | ৳৩০,০০০ |
| ৳৫০,০০০ | ৳৫,০০০ (ন্যূনতম কর) | ৳৪৯,৫৮৩ |
| ৳৭৫,০০০ | ৳২২,৫০০ | ৳৭৩,১২৫ |
| ৳১,০০,০০০ | ৳৪৮,৭৫০ | ৳৯৫,৯৩৮ |
| ৳১,৫০,০০০ | ৳১,৩৫,০০০ | ৳১,৩৮,৭৫০ |
| ৳২,৫০,০০০ | ৳৪,২১,২৫০ | ৳২,১৪,৮৯৬ |
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, কোনো বিনিয়োগ রেয়াত ও পিএফ ছাড়া, বছরে ১২ মাসের বেতন ধরে। উৎসব বোনাস থাকলে বার্ষিক বেতনে যোগ করুন।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
২০২৬-২৭ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা কত?
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী সাধারণ করদাতার জন্য ৳৩.৭৫ লাখ। বেতনভোগীরা এর আগে বেতনের এক-তৃতীয়াংশ (সর্বোচ্চ ৳৫ লাখ) বাদ দিতে পারেন, তাই বছরে ৳৫.৬২ লাখ পর্যন্ত বেতনে কর লাগে না।
মাসে ৳৫০,০০০ বেতনে কত কর?
বার্ষিক ৳৬ লাখ বেতন থেকে ৳২ লাখ বাদ দিয়ে করযোগ্য আয় ৳৪ লাখ; হিসাব করা কর ৳২,৫০০, তবে ঢাকায় ন্যূনতম কর ৳৫,০০০ দিতে হবে।
বিনিয়োগ রেয়াত কীভাবে পাব?
অনুমোদিত খাতে (সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, শেয়ার, জীবনবিমা) বিনিয়োগ করলে করযোগ্য আয়ের ৩%, বিনিয়োগের ১৫% বা ৳১০ লাখের মধ্যে যেটি কম, তত টাকা কর কমে।
এটি একটি আনুমানিক হিসাব; বাজেট চূড়ান্ত হওয়ার পর বা আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী কর ভিন্ন হতে পারে।